>>ইনানী রিপোর্ট >>
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত স্থান ইনানী চেনছরিকে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আকর্ষণীয় স্থান হিসাবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন সরকারের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক। গতকাল মঙ্গলবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি
বিজড়িত কক্সবাজারের ইনানী অরণ্যের চেনছরি গ্রামটি পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় মন্ত্রী প্রয়াত আদিবাসী নেতা ফেলোরাম রোয়াজা চাকমার পরিবারের সাথে কুশল বিনিময় করেন। আদিবাসী পরিবারের সদস্যরা এসময় মন্ত্রীকে তাদের ভিটার ৫ একর জমি ইতোমধ্যে জবর দখল হয়ে গেছে বলে জানালে এ বিষয়ে তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন বলে তাদের আশ্বস্থ করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন জেলার বধ্যভুমি, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত স্থান সমূহ চিহ্নিতকরণ সংক্রান্ত গঠিত কমিটির সুপারিশে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত আদিবাসী পরিবারের দখল হয়ে পড়া ভুমি জবর দখলমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মন্ত্রীকে অবগত করেন। উখিয়া উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভুমি) এ,এইচ মাহফুজুর রহমান জানান, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী গতকাল জাতির জনকের স্মৃতিবিজড়িত স্থানটি পরিদর্শন করে শীঘ্রই স্থানটি চারিদিকে ঘেরা বেড়া দেওয়ার ব্যাপারে নির্দ্দেশনা প্রদান করেন। তদানীন্তন পুর্ব পাকিস্তান আমলে ১৯৫৮ সালের সামরিক শাষনের আগে-পরে কোন এক সময় বঙ্গবন্ধু আকস্মিক সাগর পারের ইনানী অরণ্যের আদিবাসী নেতা ফেলোরাম রোয়াজা চাকমার ঘরে এসেছিলেন। এখানকার অরণ্যঘেরা এলাকায় বেশ কিছুদিন কাটিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। অর্ধ শতাধিক বছর আগেকার বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির সেই দুঃসময়ে ইনানী অরণ্যে সখিনা নামের যে নারী রান্না করে খাইয়েছিলেন দুই বছর আগে তিনিও মারা গেছেন। ইতোমধ্যে মারা গেছেন দাপুটে আদিবাসী নেতা ফেলোরাম রোয়াজা চাকমা সহ তার কয়েক নাতিও। তবে এখনো বেঁচে আছেন ফেলোরামের এক নাতি রবিয়ং চাকমা সহ অন্যান্যরা। ইনানী অরণ্যে বঙ্গবন্ধুর সেদিনের সেবক উখিয়ার মুক্তিযোদ্ধা লোকমান হাকিম মাষ্টার (৭৮) এবং শতায়ূ মুক্তিযোদ্ধা আবদুল খালেক এখনও বেঁচে আছেন কালের সাক্ষী হয়ে।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত স্থান ইনানী চেনছরিকে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আকর্ষণীয় স্থান হিসাবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন সরকারের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক। গতকাল মঙ্গলবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি
বিজড়িত কক্সবাজারের ইনানী অরণ্যের চেনছরি গ্রামটি পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় মন্ত্রী প্রয়াত আদিবাসী নেতা ফেলোরাম রোয়াজা চাকমার পরিবারের সাথে কুশল বিনিময় করেন। আদিবাসী পরিবারের সদস্যরা এসময় মন্ত্রীকে তাদের ভিটার ৫ একর জমি ইতোমধ্যে জবর দখল হয়ে গেছে বলে জানালে এ বিষয়ে তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন বলে তাদের আশ্বস্থ করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন জেলার বধ্যভুমি, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত স্থান সমূহ চিহ্নিতকরণ সংক্রান্ত গঠিত কমিটির সুপারিশে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত আদিবাসী পরিবারের দখল হয়ে পড়া ভুমি জবর দখলমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মন্ত্রীকে অবগত করেন। উখিয়া উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভুমি) এ,এইচ মাহফুজুর রহমান জানান, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী গতকাল জাতির জনকের স্মৃতিবিজড়িত স্থানটি পরিদর্শন করে শীঘ্রই স্থানটি চারিদিকে ঘেরা বেড়া দেওয়ার ব্যাপারে নির্দ্দেশনা প্রদান করেন। তদানীন্তন পুর্ব পাকিস্তান আমলে ১৯৫৮ সালের সামরিক শাষনের আগে-পরে কোন এক সময় বঙ্গবন্ধু আকস্মিক সাগর পারের ইনানী অরণ্যের আদিবাসী নেতা ফেলোরাম রোয়াজা চাকমার ঘরে এসেছিলেন। এখানকার অরণ্যঘেরা এলাকায় বেশ কিছুদিন কাটিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। অর্ধ শতাধিক বছর আগেকার বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির সেই দুঃসময়ে ইনানী অরণ্যে সখিনা নামের যে নারী রান্না করে খাইয়েছিলেন দুই বছর আগে তিনিও মারা গেছেন। ইতোমধ্যে মারা গেছেন দাপুটে আদিবাসী নেতা ফেলোরাম রোয়াজা চাকমা সহ তার কয়েক নাতিও। তবে এখনো বেঁচে আছেন ফেলোরামের এক নাতি রবিয়ং চাকমা সহ অন্যান্যরা। ইনানী অরণ্যে বঙ্গবন্ধুর সেদিনের সেবক উখিয়ার মুক্তিযোদ্ধা লোকমান হাকিম মাষ্টার (৭৮) এবং শতায়ূ মুক্তিযোদ্ধা আবদুল খালেক এখনও বেঁচে আছেন কালের সাক্ষী হয়ে।


0 Comments