রাজধানীসহ সারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। প্রশাসনের সর্বোচ্চ সক্ষমতা প্রয়োগের পরও বিএনপির টানা অবরোধে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার ঘটনা
দিন দিন বাড়ছে। বিভিন্ন স্থান থেকে জ্বালাও-পোড়াওসহ প্রতিনিয়তই পাওয়া যাচ্ছে প্রাণহানির খবর। জনবল সংকটের কারণে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েনের জন্য বিভিন্ন জেলার প্রশাসকরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুরোধ করে চিঠি দিয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ৩০ থেকে ৩৫টি জেলা থেকে অনুরোধ এসেছে বিজিবি মোতায়েনের জন্য। কিন্তু বিজিবি মোতায়েন করা গেছে মাত্র ১৬-১৭টি জেলায়। সূত্র জানায়, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করে থাকে বিজিবি। তাদের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে সীমান্ত রক্ষা করা। বিশেষ প্রয়োজনে তারা মাঠে নামে। বিভিন্ন জেলায় ৭০ থেকে ৮০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করার জন্য বিজিবি আর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করতে পারবে না। কেননা, সীমান্ত অরক্ষিত করে কোনো সদস্য প্রত্যাহার করে দেশের অভ্যন্তরে বিজিবি মোতায়েন করা সম্ভব নয়। পুলিশ ও র্যাবের জনবল সংকটের কারণে সংকটময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। সর্বশেষ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা বিষয়ে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও জনবল সংকট নিয়ে আলোচনা হয়েছে। চলমান অবরোধে সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছে। বিশেষ করে পেট্রোলবোমা ও চোরাগোপ্তা হামলার আতঙ্কে রয়েছে দেশবাসী। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে ভাড়াটে দিয়ে হাতবোমা নিক্ষেপ, চোরাগোপ্তা হামলা এবং পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করা হচ্ছে। অবরোধ ও হরতালে পুলিশ-র্যাব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার কারণে বিজিবির চাহিদার কথা বলছেন জেলা প্রশাসকরা। এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর কবির বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ ও র্যাবের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েনের জন্য অনুরোধ করার পর এখানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।’ বিজিবি ৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক আবু জাফর শেখ মোহাম্মদ বজলুল হক বলেন, ‘শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জেই ৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।’ ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এই ধরনের চোরাগোপ্তা হামলার ক্ষেত্রে ভাড়াটিয়া ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই ভাড়াটেরা বোমা বানানো থেকে শুরু করে হামলাও করে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে এই ধরনের কাজে শিশুদেরও ব্যবহার করা হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ‘চোরাগোপ্তা হামলার ক্ষেত্রে ভাড়াটেদের ব্যবহার করা হচ্ছে— এটা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। এমনকি পথশিশুদেরও ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের কাজে যারাই জড়িত থাকুক না কেন তাদের দমনে জিরো টলারেন্সে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।’ তাদের কঠোর হাতে দমন করার নির্দেশনা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নাশকতাকারীদের দমনে সর্বোচ্চ আইনী পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা রয়েছে।’ র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান বলেন, ‘ভাড়াটিয়া হোক আর যেই হোক না কেন, নাশকতাকারীদের রোধে র্যাবের প্রত্যেকটি ব্যাটালিয়নকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ বিজিবির প্রধান মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, ‘পেট্রোলবোমা নিক্ষেপের ঘটনায় মানুষ আতঙ্কিত। বিজিবি সদস্যরা এই ধরনের ঘটনা প্রতিহত করার চেষ্টা করছে। এমনকি আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে বা মানুষ মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করবে বিজিবি।’ অবরোধ ও হরতালে শুধু রাজধানীতেই শতাধিক গাড়ি পুড়িয়েছে বলে জানা গেছে। পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ ও বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় বাংলামোটরে দগ্ধ হয়ে আবুল কালাম আজাদ নামে একজন চালক বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মারা গেছেন। ঢামেক সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শুধু ঢামেকেই ভর্তি হয়েছেন অন্তত ২০ জন। এখনো ভর্তি আছে ৯ জন, মারা গেছেন দু’জন। এদিকে, বুধবার রংপুরে বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে পাঁচজন নিহত হন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে অবরোধে দেশের বিভিন্ন স্থানে পণ্য পরিবহনেও ব্যবসায়ীরা সাহস পাচ্ছে না। এ কারণে পুলিশ ও র্যাবের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনে বিজিবি সহায়তা করছে। এরপরও পণ্য পরিবহনে সমস্যা হচ্ছে। এমনকি হামলার ঘটনাও ঘটছে। গত ৮ জানুয়ারি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সোনা মসজিদ এলাকা থেকে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবির পাহারায় ছেড়ে আসা ১০টি পণ্যবাহী ট্রাক ভাঙচুর ও দু’টি ট্রাকে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান বলেন, ‘র্যাবের সহায়তায় এ পর্যন্ত ১০ হাজার পণ্যবাহী পরিবহন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছেড়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছেছে।’ বিজিবির প্রধান মেজর আজিজ আহমেদ বলেন, ‘পুলিশ র্যাবের পাশাপাশি বিজিবি পণ্য পরিবহনে সহায়তা করছে। বুধবার রাতেও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ৩৫ হাজার পণ্যবাহী পরিবহন বিজিবির সহায়তায় ছেড়ে গেছে।’ সাম্প্রতিক সময়ে বিজিবির ওপর ৩-৪টি হামলা হয়েছে বলে তিনি জানান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি বিজিবির ওপর ৩-৪টি হামলার ঘটনাও ঘটেছে। এর মধ্যে দু’টি গাড়িতে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়।’ যারা দেশে সহিংসতা করছে তাদের কঠোর হাতে দমন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, ‘খুব দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। এই ধরনের সহিংসতা রোধে নাশকতাকারীদের প্রতিরোধ করতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ দ্য রিপোর্ট
দিন দিন বাড়ছে। বিভিন্ন স্থান থেকে জ্বালাও-পোড়াওসহ প্রতিনিয়তই পাওয়া যাচ্ছে প্রাণহানির খবর। জনবল সংকটের কারণে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েনের জন্য বিভিন্ন জেলার প্রশাসকরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুরোধ করে চিঠি দিয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ৩০ থেকে ৩৫টি জেলা থেকে অনুরোধ এসেছে বিজিবি মোতায়েনের জন্য। কিন্তু বিজিবি মোতায়েন করা গেছে মাত্র ১৬-১৭টি জেলায়। সূত্র জানায়, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করে থাকে বিজিবি। তাদের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে সীমান্ত রক্ষা করা। বিশেষ প্রয়োজনে তারা মাঠে নামে। বিভিন্ন জেলায় ৭০ থেকে ৮০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করার জন্য বিজিবি আর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করতে পারবে না। কেননা, সীমান্ত অরক্ষিত করে কোনো সদস্য প্রত্যাহার করে দেশের অভ্যন্তরে বিজিবি মোতায়েন করা সম্ভব নয়। পুলিশ ও র্যাবের জনবল সংকটের কারণে সংকটময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। সর্বশেষ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা বিষয়ে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও জনবল সংকট নিয়ে আলোচনা হয়েছে। চলমান অবরোধে সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছে। বিশেষ করে পেট্রোলবোমা ও চোরাগোপ্তা হামলার আতঙ্কে রয়েছে দেশবাসী। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে ভাড়াটে দিয়ে হাতবোমা নিক্ষেপ, চোরাগোপ্তা হামলা এবং পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করা হচ্ছে। অবরোধ ও হরতালে পুলিশ-র্যাব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার কারণে বিজিবির চাহিদার কথা বলছেন জেলা প্রশাসকরা। এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর কবির বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ ও র্যাবের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েনের জন্য অনুরোধ করার পর এখানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।’ বিজিবি ৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক আবু জাফর শেখ মোহাম্মদ বজলুল হক বলেন, ‘শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জেই ৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।’ ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এই ধরনের চোরাগোপ্তা হামলার ক্ষেত্রে ভাড়াটিয়া ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই ভাড়াটেরা বোমা বানানো থেকে শুরু করে হামলাও করে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে এই ধরনের কাজে শিশুদেরও ব্যবহার করা হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ‘চোরাগোপ্তা হামলার ক্ষেত্রে ভাড়াটেদের ব্যবহার করা হচ্ছে— এটা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। এমনকি পথশিশুদেরও ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের কাজে যারাই জড়িত থাকুক না কেন তাদের দমনে জিরো টলারেন্সে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।’ তাদের কঠোর হাতে দমন করার নির্দেশনা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নাশকতাকারীদের দমনে সর্বোচ্চ আইনী পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা রয়েছে।’ র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান বলেন, ‘ভাড়াটিয়া হোক আর যেই হোক না কেন, নাশকতাকারীদের রোধে র্যাবের প্রত্যেকটি ব্যাটালিয়নকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ বিজিবির প্রধান মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, ‘পেট্রোলবোমা নিক্ষেপের ঘটনায় মানুষ আতঙ্কিত। বিজিবি সদস্যরা এই ধরনের ঘটনা প্রতিহত করার চেষ্টা করছে। এমনকি আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে বা মানুষ মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করবে বিজিবি।’ অবরোধ ও হরতালে শুধু রাজধানীতেই শতাধিক গাড়ি পুড়িয়েছে বলে জানা গেছে। পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ ও বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় বাংলামোটরে দগ্ধ হয়ে আবুল কালাম আজাদ নামে একজন চালক বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মারা গেছেন। ঢামেক সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শুধু ঢামেকেই ভর্তি হয়েছেন অন্তত ২০ জন। এখনো ভর্তি আছে ৯ জন, মারা গেছেন দু’জন। এদিকে, বুধবার রংপুরে বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে পাঁচজন নিহত হন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে অবরোধে দেশের বিভিন্ন স্থানে পণ্য পরিবহনেও ব্যবসায়ীরা সাহস পাচ্ছে না। এ কারণে পুলিশ ও র্যাবের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনে বিজিবি সহায়তা করছে। এরপরও পণ্য পরিবহনে সমস্যা হচ্ছে। এমনকি হামলার ঘটনাও ঘটছে। গত ৮ জানুয়ারি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সোনা মসজিদ এলাকা থেকে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবির পাহারায় ছেড়ে আসা ১০টি পণ্যবাহী ট্রাক ভাঙচুর ও দু’টি ট্রাকে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান বলেন, ‘র্যাবের সহায়তায় এ পর্যন্ত ১০ হাজার পণ্যবাহী পরিবহন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছেড়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছেছে।’ বিজিবির প্রধান মেজর আজিজ আহমেদ বলেন, ‘পুলিশ র্যাবের পাশাপাশি বিজিবি পণ্য পরিবহনে সহায়তা করছে। বুধবার রাতেও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ৩৫ হাজার পণ্যবাহী পরিবহন বিজিবির সহায়তায় ছেড়ে গেছে।’ সাম্প্রতিক সময়ে বিজিবির ওপর ৩-৪টি হামলা হয়েছে বলে তিনি জানান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি বিজিবির ওপর ৩-৪টি হামলার ঘটনাও ঘটেছে। এর মধ্যে দু’টি গাড়িতে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়।’ যারা দেশে সহিংসতা করছে তাদের কঠোর হাতে দমন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, ‘খুব দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। এই ধরনের সহিংসতা রোধে নাশকতাকারীদের প্রতিরোধ করতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ দ্য রিপোর্ট

0 Comments