শফিক আজাদ, উখিয়া॥
উখিয়ায় অংশগ্রহণমূলক ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ সেক্টর প্রকল্প পশ্চিম ডিগলিয়া রাবার ড্যাম নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ৫ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা ব্যয় বরাদ্ধে বাংলাদেশ সরকার ও ইফ্াত সাহায্যপুষ্ট প্রকল্পের আওতায় নির্মিত এ রাবার ড্যামের আওতায় এলাকায় প্রায় ৩ হাজার একর অনাবাদি জমিতে বোরো চাষাবাদ নিশ্চিত করতে আর কোন বাঁধা রইল না বলে মনে করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। উক্ত রাবার ড্যাম বাস্তবায়নের ফলে স্থানীয় বর্গা, প্রান্তিক, মাঝারি ও ক্ষুদ্র চাষীদের মধ্যে প্রাণ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত রবিবার বেলা ১২টার দিকে কক্সবাজার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী উক্ত রাবার ড্যামের রাবার স্থাপনের কাজ প্রত্যক্ষ করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
সরেজমিন রাবার ড্যাম এলাকা ঘুরে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সীমান্ত সংলগ্ন পাহাড়ের পাদদেশ থেকে সৃষ্ট রেজুখালে বছরের ১২ মাস পানি থাকলেও ওই পানি কৃষকদের কোন কাজে আসছে না। খালের বিভিন্ন অংশে অপরিকল্পিত মাটির বাঁধ দিয়ে খন্ড খন্ড চাষাবাদ হলেও একদিকে যেমন খালের নব্যতা হ্রাস পাচ্ছে অন্যদিকে বৃহত্তর ফসলী জমি অনাবাদি থেকে যাচ্ছে বছরের পর বছর।
পশ্চিম ডিগলিয়া খালের উপর বাস্তবায়িত রাবার ড্যামের উদ্যোক্তা ও স্থানীয় কৃষক জাফর উল্লাহ চৌধুরী জানান, এ রাবার ড্যামের পানি দিয়ে এলাকার ৩ হাজার একর অনাবাদি জমি বোরো চাষাবাদের আওতায় আসার পাশাপাশি পরিত্যাক্ত ভূমিতে বিভিন্ন প্রকার শাক-সবজি, ফলমূল উৎপাদনের মাধ্যমে গরীব পরিবার গুলোর আর্থিক ভাবে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পশ্চিম ডিগলিয়া পানি ব্যবস্থাপনা সমিতির সভাপতি ডাক্তার আব্দুর রহিম জানান, এ রাবার ড্যামটি বাস্তবায়নের ফলে বিশেষ করে অত্র এলাকাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা গুলোতে বসবাসরত ভূমিহীন কৃষক পরিবারগুলো চাষাবাদের সুযোগ পাবে। এতে একদিকে যেমন এলাকার ফলন বৃদ্ধি হবে একই ভাবে পানি ব্যবস্থাপনা কমিটিতে যে ৩ শতাধিক সদস্য রয়েছে তারাও ক্রমান্বয়ে আর্থিক ভাবে সচ্ছল হয়ে উঠবে। যেহেতু তাদের সঞ্চয়ী আমানতের টাকা বিভিন্ন লাভজনক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হচ্ছে।
রাবার ড্যাম নির্মাণ ঠিকাদার চট্টগ্রাম আনোয়ারা উপজেলার আবুল বশর রুদ্রা জানান, এ রাবারটি চীনের এক কোম্পানী থেকে আমদানি করা হয়েছে। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রাবার ড্যামের যতœবান হলে প্রায় ৩০ বছর পর্যন্ত এ রাবার ড্যামের আওতায় চাষ করা সম্ভব হবে।
উক্ত রাবার ড্যাম পরিদর্শনে এসে কক্সবাজার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুরুল আলম ছিদ্দিকী জানান, মানসম্মত রাবার স্থাপনের কাজ প্রত্যক্ষ করে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, চলতি মৌসুমে রাবার ড্যামের আওতায় বোরো চাষাবাদ করা সম্ভব হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার এলজিইডির সিনিয়র নির্বাহী প্রকৌশলী শফি আহমদ, ঠিকাদার আবুল বশার রুদ্রা, স্থানীয় কৃষক উদ্যোক্তা জাফর উল্লাহ চৌধুরীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার স্থানীয় জন সাধারণ।
উখিয়ায় অংশগ্রহণমূলক ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ সেক্টর প্রকল্প পশ্চিম ডিগলিয়া রাবার ড্যাম নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ৫ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা ব্যয় বরাদ্ধে বাংলাদেশ সরকার ও ইফ্াত সাহায্যপুষ্ট প্রকল্পের আওতায় নির্মিত এ রাবার ড্যামের আওতায় এলাকায় প্রায় ৩ হাজার একর অনাবাদি জমিতে বোরো চাষাবাদ নিশ্চিত করতে আর কোন বাঁধা রইল না বলে মনে করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। উক্ত রাবার ড্যাম বাস্তবায়নের ফলে স্থানীয় বর্গা, প্রান্তিক, মাঝারি ও ক্ষুদ্র চাষীদের মধ্যে প্রাণ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত রবিবার বেলা ১২টার দিকে কক্সবাজার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী উক্ত রাবার ড্যামের রাবার স্থাপনের কাজ প্রত্যক্ষ করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
সরেজমিন রাবার ড্যাম এলাকা ঘুরে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সীমান্ত সংলগ্ন পাহাড়ের পাদদেশ থেকে সৃষ্ট রেজুখালে বছরের ১২ মাস পানি থাকলেও ওই পানি কৃষকদের কোন কাজে আসছে না। খালের বিভিন্ন অংশে অপরিকল্পিত মাটির বাঁধ দিয়ে খন্ড খন্ড চাষাবাদ হলেও একদিকে যেমন খালের নব্যতা হ্রাস পাচ্ছে অন্যদিকে বৃহত্তর ফসলী জমি অনাবাদি থেকে যাচ্ছে বছরের পর বছর।
পশ্চিম ডিগলিয়া খালের উপর বাস্তবায়িত রাবার ড্যামের উদ্যোক্তা ও স্থানীয় কৃষক জাফর উল্লাহ চৌধুরী জানান, এ রাবার ড্যামের পানি দিয়ে এলাকার ৩ হাজার একর অনাবাদি জমি বোরো চাষাবাদের আওতায় আসার পাশাপাশি পরিত্যাক্ত ভূমিতে বিভিন্ন প্রকার শাক-সবজি, ফলমূল উৎপাদনের মাধ্যমে গরীব পরিবার গুলোর আর্থিক ভাবে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পশ্চিম ডিগলিয়া পানি ব্যবস্থাপনা সমিতির সভাপতি ডাক্তার আব্দুর রহিম জানান, এ রাবার ড্যামটি বাস্তবায়নের ফলে বিশেষ করে অত্র এলাকাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা গুলোতে বসবাসরত ভূমিহীন কৃষক পরিবারগুলো চাষাবাদের সুযোগ পাবে। এতে একদিকে যেমন এলাকার ফলন বৃদ্ধি হবে একই ভাবে পানি ব্যবস্থাপনা কমিটিতে যে ৩ শতাধিক সদস্য রয়েছে তারাও ক্রমান্বয়ে আর্থিক ভাবে সচ্ছল হয়ে উঠবে। যেহেতু তাদের সঞ্চয়ী আমানতের টাকা বিভিন্ন লাভজনক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হচ্ছে।
রাবার ড্যাম নির্মাণ ঠিকাদার চট্টগ্রাম আনোয়ারা উপজেলার আবুল বশর রুদ্রা জানান, এ রাবারটি চীনের এক কোম্পানী থেকে আমদানি করা হয়েছে। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রাবার ড্যামের যতœবান হলে প্রায় ৩০ বছর পর্যন্ত এ রাবার ড্যামের আওতায় চাষ করা সম্ভব হবে।
উক্ত রাবার ড্যাম পরিদর্শনে এসে কক্সবাজার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুরুল আলম ছিদ্দিকী জানান, মানসম্মত রাবার স্থাপনের কাজ প্রত্যক্ষ করে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, চলতি মৌসুমে রাবার ড্যামের আওতায় বোরো চাষাবাদ করা সম্ভব হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার এলজিইডির সিনিয়র নির্বাহী প্রকৌশলী শফি আহমদ, ঠিকাদার আবুল বশার রুদ্রা, স্থানীয় কৃষক উদ্যোক্তা জাফর উল্লাহ চৌধুরীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার স্থানীয় জন সাধারণ।

0 Comments